বুড়িমারী কমিউটার ট্রেনের সময়সূচী, রুট, স্টপেজ, অফ ডে, ভাড়ার তালিকা

By: trainguidebd

On: July 8, 2026

বুড়িমারী কমিউটার ট্রেনের সময়সূচী

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে প্রতিদিন হাজারো মানুষ রেলপথে ভ্রমণ করেন। তাদের মধ্যে অনেকেই লালমনিরহাট থেকে বুড়িমারী বা বুড়িমারী থেকে লালমনিরহাট যাতায়াত করেন কাজ, শিক্ষা বা ব্যবসার উদ্দেশ্যে। এই অঞ্চলের মানুষের নিয়মিত ভরসা হয়ে উঠেছে বুড়িমারী কমিউটার ট্রেন। কম ভাড়া, আরামদায়ক ভ্রমণ, নিয়মিত চলাচল এবং সহজলভ্য টিকিট—সব মিলিয়ে এটি সীমান্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রেলসেবা। প্রতিদিন চলার সুবিধার কারণে এটি আরও জনপ্রিয়। তাই আজকের এই বিশদ গাইডে আমরা একদম সহজ ভাষায় আলোচনা করব বুড়িমারী কমিউটার ট্রেনের সময়সূচী, রুট, স্টপেজ, অফ ডে, ভাড়ার তালিকা সম্পর্কে।


Table of Contents

পরিচিতি: কেন বুড়িমারী কমিউটার এত গুরুত্বপূর্ণ

বুড়িমারী কমিউটার ট্রেন শুধু একটি ট্রেন সেবা নয়; এটি উত্তরবঙ্গের মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। বিশেষ করে লালমনিরহাট, আদিতমারী, কাঁকিনা, টুষভান্ডার, হাটিবান্ধা ও পাতগ্রাম এলাকার মানুষ প্রতিদিন এই ট্রেনে ভ্রমণ করে। যাদের প্রতিদিন কর্মস্থলে যেতে হয়, তাদের কাছে এটি যেন এক নিরাপদ সঙ্গী। কম দূরত্বে কম খরচে গন্তব্যে পৌঁছানোর সুবিধা এই ট্রেনকে আরও জনপ্রিয় করে তুলেছে।
আমি নিজেও যখন উত্তরবঙ্গে ভ্রমণ করেছি, তখন বুঝেছি কীভাবে এই ট্রেন আশেপাশের মানুষের জীবনকে সহজ করেছে। সেই ব্যক্তিগত উপলব্ধির কারণে আমি বুঝি কেন এত মানুষ প্রতিদিন এই ট্রেনের উপর নির্ভর করে। যারা জানেন না, তাদের জন্য এই নিবন্ধটি হবে পুরো রুট এবং বুড়িমারী কমিউটার ট্রেনের সময়সূচী, রুট, স্টপেজ, অফ ডে, ভাড়ার তালিকা সম্পর্কিত সবচেয়ে সহজ ও স্পষ্ট গাইড।


বুড়িমারী কমিউটার ট্রেন সম্পর্কে মূল তথ্য (ট্রেন কোড, রুট, সার্ভিস)

এই ট্রেনটি বাংলাদেশ রেলওয়ের অধীনে পরিচালিত হয়। যাত্রীরা সাধারণত স্বল্প দূরত্বের ভ্রমণের জন্য এটি ব্যবহার করেন। নিচে কিছু মূল পয়েন্ট দেওয়া হলো:

  • ট্রেন কোড: ৬৫/৬৬
  • রুট: লালমনিরহাট–বুড়িমারী
  • মোট স্টপেজ: ১০+
  • চলাচলের ধরণ: প্রতিদিন
  • জনপ্রিয়তা: উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বেশি ব্যবহৃত কমিউটার

এই ট্রেনটি সাধারণত সকাল বেলায় লালমনিরহাট থেকে ছাড়ে এবং ফিরে আসে দুপুরের দিকে। যারা সীমান্ত এলাকায় ব্যবসা করেন তাদের জন্য এটি খুব সুবিধাজনক। এই ট্রেনে ভিড় থাকে, কিন্তু সেবা ভালো হওয়ায় মানুষ বিনা দ্বিধায় এটিকেই বেছে নেন।


বুড়িমারী কমিউটার ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬

যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি জানতে চান, ট্রেন কখন ছাড়ে এবং কখন পৌঁছায়। তাই নিচে অত্যন্ত সহজ ও স্পষ্ট সারণিতে সময়সূচী তুলে ধরা হলো।

লালমনিরহাট থেকে বুড়িমারী (ট্রেন নম্বর ৬৫)

ট্রেন নম্বর প্রস্থান আগমন ভ্রমণ সময় ছুটির দিন
৬৫ ০৮:১০ AM ১০:২৫ AM ২ ঘন্টা ১৫ মিনিট নেই

বুড়িমারী থেকে লালমনিরহাট (ট্রেন নম্বর ৬৬)

ট্রেন নম্বর প্রস্থান আগমন ভ্রমণ সময় ছুটির দিন
৬৬ ১০:৪৫ AM ১২:৫৫ PM ২ ঘন্টা ১০ মিনিট নেই

এই সময়সূচী দেখে যা স্পষ্ট, তা হলো ট্রেন সকাল বেলায় একদিকে যায় এবং কিছুক্ষণ বিরতি নিয়ে ফিরে আসে। ফলে দৈনিক যাতায়াতকারীদের জন্য এটি খুবই সুবিধাজনক। অফিসে যাওয়া, বাজার করা, চিকিৎসার জন্য শহরে যাওয়া—সবকিছুই সকাল–দুপুরের সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করে আপনি সহজেই ফিরে আসতে পারবেন।


এই ট্রেনের অফ ডে বা বন্ধের দিন

অনেকেই জানতে চান, ট্রেনটি সপ্তাহে কোন দিন বন্ধ থাকে। কিন্তু এখানে সুখবর হলো—

বুড়িমারী কমিউটার ট্রেন সপ্তাহে সাত দিনই চলে। কোনো অফ ডে নেই।

প্রতিদিন একই সময়ে ট্রেন চালানোর ফলে যাত্রীরা কোনোরকম দুশ্চিন্তা ছাড়াই পরিকল্পনা করতে পারেন। বিশেষ করে যারা নিয়মিত বিড়িমারী সীমান্ত এলাকায় কাজ করেন, তাদের জন্য এই ধারাবাহিক সেবা অনেক মূল্যবান।


বুড়িমারী কমিউটার রুট ম্যাপ ও যাত্রাপথ বিশ্লেষণ

এই ট্রেনের রুট খুব বেশি দীর্ঘ না হলেও যাত্রাপথটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রতিটি স্টেশনই উত্তরবঙ্গের মানুষের জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। নিচের তালিকায় পুরো রুট দেওয়া হলো:

লালমনিরহাট → আদিতমারী → কাঁকিনা → টুষভান্ডার → ভোটমারী → হাটিবান্ধা → বর্কাটা → বাউড়া → পাতগ্রাম → বুড়িমারী

এই রুটটি সীমান্ত এলাকার মানুষের জন্য ব্যবসা ও যাতায়াতের অন্যতম lifeline। স্টেশনগুলোতে যাত্রী উঠানামা বেশ বেশি থাকে। অনেকেই দ্রুত ভ্রমণের জন্য এই ট্রেনকে বেছে নেন কারণ এটি সময়মতো চলে এবং স্টেশনগুলোর ব্যবধানও খুব কম।

রুটটি যতই সাধারণ মনে হোক, এর সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্রামীণ মানুষের জন্য এটি যেন প্রতিদিনের জীবনচক্রের একটি অপরিহার্য অংশ।


বুড়িমারী কমিউটার ট্রেনের স্টপেজ তালিকা ও সময়সূচী

এখন আমরা একে একে প্রতিটি স্টেশন এবং সেখানে ট্রেন কখন পৌঁছায় ও কখন ছাড়ে তা সহজ ভাষায় দেখে নেব।


লালমনিরহাট থেকে বুড়িমারী স্টপেজ তালিকা

স্টেশন আগমন প্রস্থান
লালমনিরহাট ০৮:১০ AM
আদিতমারী ০৮:২৮ AM ০৮:৩০ AM
কাঁকিনা ০৮:৪৭ AM ০৮:৪৯ AM
টুষভান্ডার ০৮:৫৫ AM ০৮:৫৭ AM
ভোটমারী ০৯:০৭ AM ০৯:০৯ AM
হাটিবান্ধা ০৯:২৪ AM ০৯:২৮ AM
বর্কাটা ০৯:৩৯ AM ০৯:৪১ AM
বাউড়া ০৯:৪৯ AM ০৯:৫১ AM
পাতগ্রাম ১০:০৮ AM ১০:১০ AM
বুড়িমারী ১০:২৫ AM

এই তালিকাটি দেখলে বোঝা যায়, স্টেশনগুলোর মাঝে খুব কম বিরতি রয়েছে। ফলে যাত্রীরা বেশি সময় অপচয় না করে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন।


বুড়িমারী থেকে লালমনিরহাট স্টপেজ তালিকা

স্টেশন আগমন প্রস্থান
বুড়িমারী ১০:৪৫ AM
পাতগ্রাম ১০:৫৭ AM ১০:৫৯ AM
বাউড়া ১১:১৪ AM ১১:১৬ AM
বর্কাটা ১১:২৪ AM ১১:২৬ AM
হাটিবান্ধা ১১:৩৭ AM ১১:৪০ AM
ভোটমারী ১১:৫৭ AM ১১:৫৯ AM
টুষভান্ডার ১২:০৯ PM ১২:১১ PM
কাঁকিনা ১২:১৭ PM ১২:১৯ PM
আদিতমারী ১২:৩৬ PM ১২:৩৮ PM
লালমনিরহাট ১২:৫৫ PM

প্রতিটি স্টেশনে ট্রেন ১–৩ মিনিটের জন্য থামে এবং দ্রুত আবার যাত্রা শুরু করে। ফলে যারা নিত্যদিন ভ্রমণ করেন তাদের জন্য এটি অত্যন্ত সময়সাশ্রয়ী।বুড়িমারী কমিউটার ট্রেনের ভাড়া ও টিকিট মূল্য তালিকা

অনেকেই যাত্রার আগে ভাড়ার তথ্য জানতে চান। কিন্তু এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—বুড়িমারী কমিউটার ট্রেনের নির্দিষ্ট ভাড়া তালিকা পরিবর্তনশীল, যা সময়, দূরত্ব এবং শ্রেণিভেদে ভিন্ন হতে পারে। বর্তমানে এই রুটের সরকারি নির্দিষ্ট ভাড়া তালিকা প্রকাশিত হয়নি। তাই সাধারণ অভিজ্ঞতাভিত্তিক ভাড়া ধারণা নিচে তুলে ধরা হলো, যাতে যাত্রীরা মোটামুটি অনুমান করতে পারেন।

টিকিট মূলত নিম্নলিখিত শ্রেণিগুলোতে হয়ে থাকে:

  • শোভন
  • শোভন চেয়ার
  • কমিউটার সাধারণ

কম দূরত্বের রুট হওয়ায় সাধারণত ভাড়া কম থাকে। ২০–৫০ টাকার মধ্যে শোভন সাধারণ ভাড়া দেখা যায়।
যাত্রীরা যেকোনো সময় কাছের রেলস্টেশন থেকে সর্বশেষ ভাড়া সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবেন। বরং আমি বলব, ভ্রমণের আগে একবার স্টেশন ইনফরমেশন ডেস্কে জেনে নিলেই ভালো ফল পাবেন। কারণ ভাড়া মাঝে মাঝে সামান্য পরিবর্তন হয়।

নিচে একটি সহজ ধারণামূলক ভাড়া টেবিল দেওয়া হলো:

রুট সম্ভাব্য ভাড়া (ধারণা) শ্রেণি
লালমনিরহাট–আদিতমারী ১০–১৫ টাকা কমিউটার
লালমনিরহাট–হাটিবান্ধা ২০–২৫ টাকা কমিউটার
লালমনিরহাট–পাতগ্রাম ৩০–৩৫ টাকা শোভন
লালমনিরহাট–বুড়িমারী ৩০–৫০ টাকা শোভন

এটি কেবল রেফারেন্স ডেটা হিসেবে উল্লেখ করা হলো যাতে যাত্রীরা মোটামুটি ধারণা পান।
আসল ভাড়া জানতে স্টেশন কর্তৃপক্ষই আপনার নির্ভরযোগ্য উৎস।


বুড়িমারী কমিউটার ট্রেনে টিকিট কেনার সহজ নিয়ম

বুড়িমারী কমিউটার ট্রেনে টিকিট কেনা খুব সহজ। এতে জটিলতা নেই বললেই চলে।

টিকিট কেনার নিয়ম:

  • নিকটস্থ রেলস্টেশনের কাউন্টার থেকে টিকিট কিনতে হয়।
  • আগাম টিকিট বুকিং প্রয়োজন হয় না।
  • ট্রেন ছাড়ার আগ পর্যন্ত কাউন্টার খোলা থাকে।
  • অনলাইন বুকিং নেই। যেহেতু এটি কমিউটার ট্রেন, তাই অনলাইনে টিকিট সুবিধা দেওয়া হয়নি।

যারা প্রতিদিন ভ্রমণ করেন তারা সাধারণত ট্রেন ছাড়ার ১০–১৫ মিনিট আগে স্টেশনে গিয়ে টিকিট সংগ্রহ করেন। আর যারা স্টেশন একটু দূরে থাকেন, তাদের জন্য সময়মতো পৌঁছানোর পরিকল্পনা করা ভালো কারণ মাঝে মাঝে ভিড় বৃদ্ধি পায়।


যাত্রীদের অভিজ্ঞতায় বুড়িমারী কমিউটার ট্রেন কেমন?

যারা নিয়মিত ভ্রমণ করেন তারা বলেন, ট্রেনটি খুবই নির্ভরযোগ্য। রুটটি ছোট হওয়ায় ট্রেন সাধারণত সময়মতোই চলে। ভিড় থাকে, তবে তা অসহনীয় নয়। অনেকেই মনে করেন, উত্তরবঙ্গের মানুষের জীবনে এই ট্রেন যেন এক আশীর্বাদ।
যাত্রীদের মতে, কয়েকটি বিষয় এই ট্রেনের জনপ্রিয়তা বাড়ায়:

  • ভাড়া কম
  • ভ্রমণ নিরাপদ
  • প্রতিদিন চলাচল
  • দ্রুত পৌঁছানো
  • সহজ স্টেশন সুবিধা

অনেকের অভিজ্ঞতায়, দাঁড়িয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটলেও এটি স্বাভাবিক, কারণ কমিউটার ট্রেনে ভিড় থাকা খুব সাধারণ। তবে দিনের শুরুতে যারা যাত্রা করেন, তারা অনেক সময় সহজেই বসার আসন পেয়ে যান।


বুড়িমারী কমিউটার ট্রেনের সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা

প্রতিটি রেলসেবার মতো এখানেও সুবিধা–অসুবিধা দুটোই আছে। যাত্রী হিসেবে এগুলো জানা ভালো।

সুবিধা

  • প্রতিদিন ট্রেন চলার সুবিধা
  • ভাড়া অত্যন্ত কম
  • স্টেশন সংখ্যা বেশি, তাই যাতায়াত সহজ
  • সময়মতো চলে
  • ট্রেনটি পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ

সীমাবদ্ধতা

  • অনলাইনে টিকিট বুকিং নেই
  • পিক আওয়ারে ভিড় বেশি হয়
  • শীতকালে ঘন কুয়াশার কারণে মাঝে মাঝে দেরি হতে পারে

এই সীমাবদ্ধতাগুলো যাত্রীরা জানেন এবং সে অনুযায়ী পরিকল্পনা করলেই সমস্যা হয় না। স্থানীয়দের কাছে এটি এখনও সবচেয়ে সহজ ও নির্ভরযোগ্য পরিবহন ব্যবস্থা।


যারা প্রথমবার ভ্রমণ করবেন তাদের জন্য কিছু জরুরি টিপস

প্রথমবার এই রুটে ভ্রমণ করলে কিছু বিষয় মনে রাখলে যাত্রা আরও সহজ হবে।

  • ট্রেন ছাড়ার অন্তত ১৫ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছান।
  • টিকিট ভালোভাবে সংরক্ষণ করুন।
  • ভিড় বেশি হলে আগের দিকের বগিতে উঠার চেষ্টা করুন।
  • নিজের ব্যাগ বা জিনিসপত্র নিজের কাছে রাখুন।
  • স্টেশনে নামার সময় সতর্ক থাকুন কারণ রুটে যাত্রীরা দ্রুত উঠানামা করেন।

ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলি, উষ্ণতা বা ঠান্ডার মৌসুমে রুটটি খুব সুন্দর লাগে। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালেই উত্তরবঙ্গের প্রকৃতি মন ভরে দেয়। তাই ভ্রমণের সময় অনেকেই ইচ্ছা করে জানালার পাশে বসে এই দৃশ্য উপভোগ করেন।


বুড়িমারী কমিউটার ট্রেন: কারা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হন

এই রুটটি প্রধানত কাজে লাগে—

  • সীমান্ত এলাকা ব্যবসায়ীদের
  • কর্মজীবী মানুষদের
  • স্কুল–কলেজের ছাত্রছাত্রীদের
  • স্থানীয় গ্রামবাসীদের
  • চিকিৎসার জন্য শহরে যাওয়া রোগীদের

দৈনন্দিন জীবনের সাথে গভীরভাবে যুক্ত থাকায় এই ট্রেনটি শুধু একটি পরিবহন ব্যবস্থা নয়; এটি এক ধরনের সামাজিক বন্ধনও তৈরি করে। প্রতিদিন একই সময় একই মুখ দেখা যায়, যেটা মানুষকে আরও কাছাকাছি আনে।


FAQs: সাধারণ প্রশ্ন উত্তর

১. বুড়িমারী কমিউটার ট্রেন কি প্রতিদিন চলে?

হ্যাঁ, এই ট্রেন সপ্তাহের সাত দিনই চলে। কোনো অফ ডে নেই।

২. অনলাইনে টিকিট কেনা যায় কি?

না। কমিউটার ট্রেনে অনলাইনে টিকিট নেই। কাউন্টার থেকেই টিকিট নিতে হয়।

৩. ট্রেন কি সময়মতো আসে?

সাধারণত হ্যাঁ। রুট ছোট হওয়ায় দেরি খুব কমই হয়।

৪. ভাড়া কত?

শ্রেণি, দূরত্ব এবং সময়ভেদে ভাড়া পরিবর্তিত হয়। সর্বশেষ ভাড়া স্টেশন থেকেই জেনে নিতে হয়।

৫. কোন কোন স্টেশনে ট্রেন থামে?

লালমনিরহাট, আদিতমারী, কাঁকিনা, টুষভান্ডার, ভোটমারী, হাটিবান্ধা, বর্কাটা, বাউড়া, পাতগ্রাম ও বুড়িমারী।

৬. যাত্রার সময় কত?

প্রায় ২ ঘণ্টা ১০–১৫ মিনিট লাগে।

৭. কোন সময় ট্রেন ছাড়ে?

প্রথম ট্রেন চলে ০৮:১০ AM এবং ফিরে আসে ১০:৪৫ AM এ।


শেষ কথা

সীমান্ত অঞ্চল থেকে লালমনিরহাট পর্যন্ত যাতায়াতের জন্য বুড়িমারী কমিউটার ট্রেন এক অসাধারণ রেলসেবা। যারা প্রতিদিন কাজে যান, ব্যবসায়িক কাজ করেন অথবা ছাত্রছাত্রী—সবাই এই ট্রেনের উপর নির্ভর করেন। সময়মতো পৌঁছানো, কম খরচ, আরামদায়ক ভ্রমণ—সব মিলিয়ে এই ট্রেনটি উত্তরবঙ্গের মানুষের প্রতিদিনের প্রয়োজন মেটাচ্ছে।

এই নিবন্ধে আমরা সহজ ভাষায় তুলে ধরেছি বুড়িমারী কমিউটার ট্রেনের সময়সূচী, রুট, স্টপেজ, অফ ডে, ভাড়ার তালিকা সম্পর্কে সব প্রয়োজনীয় তথ্য। আশা করছি, আপনার যাত্রা আরও সহজ, সাচ্ছন্দ্যময় এবং ঝামেলামুক্ত হবে।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment