সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেস সময়সূচী, ভাড়ার তালিকা, রুট, টিকেট প্রাইস, স্টপেজ ও অফ ডে

By: TrainGuideBD

On: January 16, 2026

সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেস সময়সূচী

বাংলাদেশে আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর মধ্যে যেসব ট্রেন সময়মতো চলে, আরামদায়ক, নিরাপদ এবং বাজেট–সহায়ক—তাদের তালিকায় সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেস অন্যতম। খুলনা থেকে রাজশাহী বা রাজশাহী থেকে খুলনা যাদের নিয়মিত যাতায়াত করতে হয়, তাদের কাছে এই ট্রেনটি অনেকটা ভরসার মতো। অনেক সময় আমরা দেখি বাসে দীর্ঘ যানজট, ক্লান্তিকর যাত্রা বা রাস্তার ঝুঁকি নিয়ে ভাবতে হয়। কিন্তু ট্রেনে যাত্রা সেই চিন্তা অনেকটাই কমিয়ে দেয়। আর সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেস সেই প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টা করে প্রতিদিন। এই আর্টিকেলে আমি খুব সহজ ভাষায় সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচীভাড়ার তালিকারুটটিকেট প্রাইসস্টপেজঅফ ডে—সব কিছু সাজিয়ে দিচ্ছি, যেন আপনার যাত্রা পরিকল্পনা আরও সহজ হয়ে যায়।

এখানে যে তথ্যগুলো দিচ্ছি, তা আগের তথ্য থেকে ধারণা নিয়ে নতুন করে সাজানো এবং বহু দিক থেকে বিশ্লেষণ করা। তাই সবকিছুই হবে নতুন, সহজ, বিস্তারিত এবং সম্পূর্ণ ইউনিক।


Table of Contents

সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেস ট্রেন পরিচিতি

সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেসকে বলা হয় দক্ষিণ–পশ্চিমের মানুষদের রাজশাহীর দিকে যাতায়াতের অন্যতম কার্যকর ট্রেন। খুলনা–যশোর অঞ্চল থেকে যারা রাজশাহী বা নাটোর এলাকায় যাতায়াত করেন, তাদের কাছে এটি একটি নির্ভরযোগ্য আন্তঃনগর। এটি সপ্তাহে ছয় দিন চলাচল করে, এবং প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে যাত্রা শুরু করে গন্তব্যে পৌঁছায়।
এই ট্রেনের সবচেয়ে ভালো দিক হলো—ট্রেনটি সময় মতো ছাড়ে এবং দীর্ঘ যাত্রাতেও আরামের ঘাটতি হয় না। ভ্রমণকারীরা জানান, ট্রেনটি মাঝপথে প্রয়োজনীয় স্টেশনগুলোতে থামে—যেমন যশোর, চুয়াডাঙ্গা, দর্শনা, ঈশ্বরদী ইত্যাদি।
এই ট্রেনে আপনি সাধারণ বাজেট থেকে শুরু করে আরামদায়ক এসি পর্যন্ত বিভিন্ন আসন বেছে নিতে পারেন। তাই ছাত্র–ছাত্রী, চাকরিজীবী, পর্যটক, এমনকি পরিবারের সঙ্গেও আরামে ভ্রমণের জন্য এটি খুব ব্যবহৃত।


সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী (খুলনা–রাজশাহী)

যারা নিয়মিত যাতায়াত করেন, তাদের জন্য সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী জানা অত্যন্ত জরুরি। কারণ সময়মতো পৌঁছানোর জন্য পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ। খুলনা থেকে রাজশাহী রুটে ট্রেনটি বিকালে ছেড়ে যায় এবং রাতের মধ্যে রাজশাহী পৌঁছায়।

খুলনা থেকে রাজশাহী (ট্রেন নং ৭৬২)

  • ছাড়ার সময়: ১৬:০০
  • পৌঁছানোর সময়: ২২:০০
  • মোট সময়: প্রায় ৬ ঘণ্টা
  • অফ ডে: সোমবার

এই সময়সূচী এমনভাবে সাজানো যে আপনি বিকালে খুলনা থেকে যাত্রা শুরু করে রাতের মধ্যে রাজশাহী পৌঁছে যেতে পারেন। যারা অফিস বা দিনের কাজ শেষ করে ভ্রমণে যেতে চান, তাদের জন্য সময়টি বেশ সুবিধাজনক।


সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী (রাজশাহী–খুলনা)

যারা রাজশাহী থেকে খুলনায় ফেরেন, তাদের জন্য ট্রেনটি সকালে ছাড়ে। সকালে যাত্রা শুরু করলে দুপুরের মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছানো যায়।

রাজশাহী থেকে খুলনা (ট্রেন নং ৭৬১)

  • ছাড়ার সময়: ০৬:০০
  • পৌঁছানোর সময়: ১২:১০
  • মোট সময়: প্রায় ৬ ঘণ্টা ১০ মিনিট
  • অফ ডে: সোমবার

সকালের সফর অনেকের কাছে আরামদায়ক। কারণ রাস্তাঘাট ফাঁকা থাকে, ট্রেনেও পরিবেশ শান্ত থাকে।


সময়সূচীর টেবিল

রুটছাড়ার সময়পৌঁছানোর সময়অফ ডে
খুলনা → রাজশাহী১৬:০০২২:০০সোমবার
রাজশাহী → খুলনা০৬:০০১২:১০সোমবার

এই টেবিলটি দেখে আপনি সহজেই আপনার যাত্রার দিন ও সময় ঠিক করতে পারবেন।


সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেসের রুট বিশ্লেষণ

সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেস ট্রেনের রুট এমনভাবে তৈরি, যেটি দক্ষিণ–পশ্চিম অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোর সঙ্গে রাজশাহী বিভাগকে সোজা সংযোগ দেয়। রুটটি খুলনা–যশোর–চুয়াডাঙ্গা–ঈশ্বরদী হয়ে রাজশাহীতে পৌঁছায়। এই রুটটি শুধু যাত্রার জন্য সুবিধাজনক নয়, বরং বাণিজ্যিক গুরুত্বেও সমৃদ্ধ।
যশোর এবং নওয়াপাড়া এলাকায় অনেকে প্রতিদিন চাকরির উদ্দেশ্যে রাজশাহীর দিকে যাতায়াত করেন। আবার রাজশাহীর ছাত্র–ছাত্রীরা মাঝে মাঝে খুলনা, যশোর বা চুয়াডাঙ্গায় পরিবারের কাছে আসেন—সব মিলিয়ে সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেস এই সংযোগটিকে খুব সহজ করেছে।
রুটটি এমনভাবে সাজানো যে যাত্রীদের খুব বেশি সময় নষ্ট হয় না। মাঝপথে প্রয়োজনীয় বিরতি এবং তুলনামূলক ছোট যাত্রাবিরতির মাধ্যমে যাত্রা হয় স্বাভাবিক গতিতে। ট্রেনটি এমন স্টেশনগুলোতে থামে যেগুলো ভ্রমণকারীদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।


সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেসের স্টপেজ তালিকা

যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি খোঁজেন—ট্রেন কোন স্টেশনে থামে এবং কোন সময়ে থামে। কারণ অনেকেই মাঝপথের স্টেশন থেকে ট্রেনে ওঠেন।

নিচে স্টপেজসহ সময়সূচী দেওয়া হলো:

স্টেশন নামরাজশাহী থেকে (৭৬১)খুলনা থেকে (৭৬২)
নওয়াপাড়া১৬:৩২১১:০৭
যশোর১৭:০৩১০:৩৫
মোবারকগঞ্জ১৭:৩৯১০:০৫
কোটচাঁদপুর১৭:৩৯০৯:৫১
সাফদারপুর১৮:০৩০৯:৪০
দর্শনা১৮:২৩০৯:২০
চুয়াডাঙ্গা১৮:৪৫০৮:৪৭
আলমডাঙ্গা১৯:০৪০৮:২৯
পোড়াদহ১৯:২০০৮:১০
ভেড়ামারা১৯:৪৮০৭ঃ৪৪
পাকশী২০:০০০৭ঃ৩০
ঈশ্বরদী২০:১৫০৭ঃ১০
আজিমনগর২১:৪৭০৬ঃ৫১
আব্দুলপুর২১:৫৮০৬ঃ৪০

এই স্টেশনগুলো দক্ষিণ–পশ্চিম এবং উত্তরাঞ্চলের প্রধান সংযোগ পথ তৈরি করে। তাই যারা বিভিন্ন শহর থেকে যাত্রা শুরু করেন, তাদের জন্য এটি খুব কার্যকর।


সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়ার তালিকা

যাত্রীরা ট্রেনে উঠার আগে সাধারণত টিকেটের দাম সম্পর্কে জানতে চান। কারণ বাজেট অনুযায়ী যাত্রা পরিকল্পনা করতে হয়। এই ট্রেনে আপনি শোভন চেয়ার, এসি সিট, স্নিগ্ধা বা এসি বার্থ—এমন বিভিন্ন ক্যাটাগরি পাবেন।
নীচে সাধারণ ভাড়াগুলো তুলে ধরা হলো।

ভাড়ার তালিকা

আসন বিভাগটিকেট মূল্য (১৫% ভ্যাটসহ)
শোভন চেয়ার৩৬০ টাকা
এসি সিট

টিকিট কেনার সহজ উপায়

সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেসে ভ্রমণ করতে হলে আগেই টিকিট সংগ্রহ করা ভালো। অনেক সময় বিশেষ ছুটি, সাপ্তাহিক ছুটি বা পরীক্ষার সময়ে টিকিটের চাপ বেড়ে যায়। তাই আগেভাগে পরিকল্পনা করলেই যাত্রা আরামে হয়।
আপনি চাইলে স্টেশন কাউন্টার থেকে সরাসরি টিকেট কিনতে পারেন। কাউন্টার থেকে কেনা টিকিটে বেশি সুবিধা হলো—সরাসরি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা যায়। তবে কাউন্টারে গিয়ে লাইনে দাঁড়ানো অনেকের জন্য ঝামেলার। এ কারণে অনেকে অনলাইন টিকিট সিস্টেমকে বেশি পছন্দ করেন।
রেলওয়ের অফিসিয়াল অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে টিকিট কিনলে সময় বাঁচে। মোবাইল নম্বর, এনআইডি এবং পেমেন্ট তথ্য দিয়ে খুব সহজে টিকিট বুকিং করা যায়। অনলাইনে পেমেন্টও নিরাপদ। আপনি মোবাইল ব্যাংকিং, ব্যাংক কার্ড বা অন্যান্য মাধ্যম ব্যবহার করতে পারবেন।
কিছু যাত্রী তাদের যাত্রার আগে দুই–তিন দিন সময় রেখে টিকেট কাটেন, যাতে শেষ মুহূর্তে টিকিট না পাওয়া নিয়ে কোনো ঝামেলা না হয়। তাই টিকিট পরিকল্পনা আপনার যাত্রাকে আরও নির্ভরযোগ্য করে তোলে।


ভ্রমণের সময় আরামের অভিজ্ঞতা

অনেক যাত্রীই বলছেন যে সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেসের ভ্রমণ অভিজ্ঞতা বেশ আরামদায়ক। কারণ পুরো যাত্রায় ট্রেনটি খুব বেশি দুলতে থাকে না। ট্রেনের ভেতরের পরিবেশও নিয়ন্ত্রিত।
যাত্রীরা মনে করেন সিটগুলোর ফাঁকা জায়গা তুলনামূলক বেশি হওয়ায় দীর্ঘ পথেও ক্লান্তি কম লাগে। বিশেষ করে শোভন চেয়ার এবং এসি সিটে ভ্রমণ করলে আরাম আরও বেশি পাওয়া যায়। সিটগুলো আরামদায়ক, হাত রাখার জায়গা আছে, এবং হাঁটাহাঁটি করার জন্যও পর্যাপ্ত স্থান রয়েছে।
যারা সকাল বা সন্ধ্যার যাত্রা পছন্দ করেন, তাদের জন্য এই ট্রেনটি সময়ের দিক থেকে বেশ সুবিধাজনক। রাজশাহী থেকে যে ট্রেনটি সকাল ৬টায় ছাড়ে, তা অনেক যাত্রী ব্যবহার করেন কর্মস্থলে বা শহরে দিনের শুরুতে পৌঁছানোর জন্য।
ট্রেন চলার সময় বাইরের দৃশ্যও অনেকে উপভোগ করেন। চুয়াডাঙ্গা, যশোর বা দর্শনার এলাকার সবুজ জমি, নদী আর গ্রামবাংলার দৃশ্য ভ্রমণকে আরও আনন্দদায়ক করে তোলে। যাত্রীদের অনেকেই বলেন, এই ট্রেনের সফর মানেই মানসিক প্রশান্তি এবং শান্তিপূর্ণ অনুভূতি।


যাত্রী নিরাপত্তা ও সেবার মান

যাত্রী নিরাপত্তা আজকের দিনে সবচেয়ে জরুরি বিষয়। এ কারণে সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেসে চালানো হয় মানসম্পন্ন নিয়ম মেনে। ট্রেনের ভেতরে নিরাপত্তারক্ষী এবং টিটিই থাকেন যারা যাত্রীদের সহযোগিতা করেন।
ট্রেনে প্রয়োজনীয় নিয়ম–নীতি থাকায় কেউ বিরক্তিকর আচরণ করতে পারে না। এছাড়া প্রতিটি বগিতে অগ্নি নির্বাপক এবং জরুরি সহায়তা ব্যবস্থা রয়েছে। ভ্রমণকারীরা জানান, তারা ট্রেনে নিরাপত্তার দিক থেকে বেশ স্বস্তি পান।
খাদ্য সরবরাহ, পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা এবং পানির সুবিধাও যথেষ্ট ভালো। দীর্ঘ যাত্রাতেও যাত্রীদের সমস্যা হয় না। প্যান্ট্রি কারের মাধ্যমে খাবার সংগ্রহ করা যায় বা চলমান বিক্রেতাদের কাছ থেকেও কিছু নেওয়া যায়।
যারা পরিবারের সঙ্গে ভ্রমণ করেন, বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ বা শিশু—তাদের জন্যও ট্রেনটি নিরাপদ এবং আরামদায়ক। যাত্রাপথের পুরো সময়টুকু তারা নিশ্চিন্তে কাটাতে পারেন।


কেন সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেস খুলনা–রাজশাহীর সেরা রুট

খুলনা এবং রাজশাহীর মধ্যে যাতায়াতের জন্য বিভিন্ন মাধ্যম আছে—বাস, মাইক্রোবাস বা প্রাইভেট কার। তবে ট্রেন সবসময়ই বেশি নিরাপদ, সাশ্রয়ী এবং আরামদায়ক।
বিশেষ করে দীর্ঘ পথ হলে ট্রেনের মতো আরাম আর কোথাও পাওয়া যায় না। সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেসের সময়সূচী নিয়মিত, ভাড়া মাঝারি, রুট সহজ এবং স্টপেজগুলো মানুষের প্রয়োজন অনুযায়ী সাজানো।
যারা প্রতিদিন বা সপ্তাহে কয়েকদিন এই রুটে যাতায়াত করেন, তারা জানান—বৃষ্টি, কুয়াশা বা দেশের যে কোনো অবস্থাতেই ট্রেনই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। আর এই পুরো রুটে সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেসের চাহিদা বেশি কারণ এটি সময়মতো ছাড়ে এবং যাত্রা নিরাপদ।
ট্রেনটি দুই গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলের মানুষের মধ্যে যাতায়াতকে সহজ করেছে। খুলনার ব্যবসায়ী, যশোরের ছাত্র–ছাত্রী বা চুয়াডাঙ্গার কর্মজীবী মানুষ—সবাই এই ট্রেনের ওপর নির্ভর করেন।


যাত্রার আগে যা মাথায় রাখবেন

ভ্রমণ আনন্দের বিষয়। কিন্তু পরিকল্পনা ছাড়া কোনো ভ্রমণই আরামদায়ক হয় না। তাই সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেসে ভ্রমণের আগে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা ভালো।

করণীয়:

  • যাত্রার কমপক্ষে ২–৩ দিন আগে টিকিট কেটে নিন
  • অনলাইন টিকিট নিলে ডাউনলোড ফাইল বা স্ক্রিনশট রেখে দিন
  • ট্রেন ছাড়ার ৩০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছান
  • যাত্রার সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখুন
  • ট্রেনের মধ্যে ভদ্র আচরণ বজায় রাখুন

বর্জনীয়:

  • শেষ মুহূর্তে টিকিট নেওয়া
  • ট্রেনের ভেতরে উচ্চস্বরে কথা বলা
  • অপ্রয়োজনীয়ভাবে দরজায় দাঁড়িয়ে যাত্রা করা
  • অনুমোদিত নয় এমন বিক্রেতাদের কাছ থেকে খাবার নেওয়া

এই বিষয়গুলো নিশ্চিত করলে আপনার যাত্রার অভিজ্ঞতা আরও সুন্দর হবে।


সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেসের সুবিধা ও বৈশিষ্ট্য

নিচে এই ট্রেনের বিশেষ কিছু সুবিধা তুলে ধরা হলো:

  • ভাড়া কম
  • সময়সূচী নির্ভরযোগ্য
  • প্রয়োজনীয় স্টেশনগুলোতে বিরতি
  • ট্রেনের ভেতরে যথেষ্ট পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা
  • নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত
  • দীর্ঘ যাত্রায়ও আরামদায়ক পরিবেশ
  • পরিবার বা অফিস ভ্রমণের জন্য উপযোগী

এসব সুবিধার কারণে যাত্রীরা নিয়মিত এই ট্রেন ব্যবহার করেন।


FAQs — সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেস ট্রেন সম্পর্কিত সাধারণ প্রশ্ন

প্রশ্ন ১: সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেসের অফ ডে কোন দিন?

উত্তর: সোমবার ট্রেনটি বন্ধ থাকে। সপ্তাহে ছয় দিন চলাচল করে।

প্রশ্ন ২: খুলনা থেকে রাজশাহী যেতে কত সময় লাগে?

উত্তর: প্রায় ৬ ঘণ্টা।

প্রশ্ন ৩: সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেসে কোন কোন আসন বিভাগ আছে?

উত্তর: শোভন চেয়ার এবং এসি সিট আসন বিভাগ পাওয়া যায়।

প্রশ্ন ৪: অনলাইনে টিকিট কেনা যায় কি?

উত্তর: হ্যাঁ, বাংলাদেশ রেলওয়ের অনলাইন টিকেটিং সিস্টেম থেকে সহজে টিকিট কেনা যায়।

প্রশ্ন ৫: সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেস কি সময়মতো চলে?

উত্তর: সাধারণত ট্রেনটি সময়মতো চলে এবং দেরি খুব কম হয়।

প্রশ্ন ৬: কোন স্টেশন থেকে ট্রেন উঠে বা নামে?

উত্তর: যশোর, চুয়াডাঙ্গা, দর্শনা, ঈশ্বরদীসহ অনেক স্টেশনে ট্রেন থামে।

প্রশ্ন ৭: ভাড়া কত?

উত্তর: শোভন চেয়ার ৩৬০ টাকা এবং এসি সিট ৮২৮ টাকা।


উপসংহার

খুলনা থেকে রাজশাহী বা রাজশাহী থেকে খুলনা যাতায়াতকারীদের জন্য সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচীভাড়ার তালিকারুটটিকেট প্রাইসস্টপেজঅফ ডে—সব তথ্য জানা খুব জরুরি। কারণ একটি পরিকল্পিত যাত্রাই আপনাকে আরাম, নিরাপত্তা এবং নিশ্চিন্ততা দেয়।
এই ট্রেনটি প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রীর ভরসার নাম। নিরাপত্তা, আরাম, সময়মতো চলাচল, সাশ্রয়ী ভাড়া—সব মিলিয়ে সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেস এই রুটের অন্যতম সেরা আন্তঃনগর। আপনি চাকরি, শিক্ষা, পরিবার দেখা বা ভ্রমণ—যে কারণেই যাত্রা করুন না কেন, সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেস আপনার যাত্রা করবে সহজ।

TrainGuideBD

At TrainGuideBD, our mission is simple: to make your train travel experience in Bangladesh easier, faster, and more convenient.

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment